ইসলাম ধর্মে সন্ন্যাসীর বিধান

Islam dhorme Sanyashir Bidhan
-:নিকাহের গুরুত্ব ও ফজিলত:-
{পর্ব- ৪}
ইসলাম ধর্ম সাধুবাদ (সন্ন্যাসী ) কে সমর্থন করে না।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাঁর কিছু সাহাবীদের (সাথীদের) লাজ্জাত (আনন্দ উপভোগ) ত্যাগ করার নিয়তের কথা জানতে পারলেন, তখন তিনি বললেন:
সাবধান, আমি তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আল্লাহভীরু এবং সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান,
- কিন্তু আমি রোযা রাখি এবং মাঝে মাঝে রাখি না,
- আর আমি রাতে নামাযও পড়ি এবং বিশ্রামও করি,
- এবং আমিও মেয়েদের সাথে বিবাহ্ করি,
যে আমার সুন্নাত ও পথের বিরোধিতা করে সে আমার দলভুক্ত নয়।
এ হাদিস থেকে জানা যায় যে, ইসলাম ধর্মে কোনো ব্যক্তি সম্পুর্ণ রূপে ঘরোয়া দায়িত্ব এড়িয়ে (ছেড়ে দিয়ে) দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ইবাদতে মগ্ন (ব্যস্ত) হয়ে যাওয়া পছন্দনীয় (কাম্য) নয়;
বরং প্রকৃত দ্বীন হল যে, একজন ব্যক্তি তার নেক নিয়ত ও নেক আমলের দ্বারা প্রতিটি কাজকে দ্বীনে পরিণত করবে,
(কিতাব-উল-মসাইল: ০৪/৩৭)
(সহীহ আল-বুখারী 02/757, হাদীস নং: 5063)
(সহীহ ইবনে হিব্বান: 01/268, হাদীস নং: 317)
ইসলাম ধর্মে মস্ত বড় একটি আল্লাহর বিধান হল নিকাহ্ করা।
অতএব প্রত্যেক মানুষেরই বিবাহ করে সংসার করা অবশ্যই কর্তব্য, তা না হলে তার ইবাদত অতটা উপকার হবে না।
কেননা এই নিকাহ্ একটি মস্ত বড় ইবাদত,
বাকি সব ইবাদত তখনই সঠিক ভাবে মনোযোগ সহকারে হবে যখন নিকাহ্ করবে।
ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বিয়ে না করা কেমন?
Khomata thaka sotteo Biye na kora kemon?
ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বিয়ে (বিবাহ) না করায় আল্লাহর নবীর ধমক বানী!
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

-:অর্থ:-
যে ব্যক্তি বিবাহের জন্য আর্থিক সামর্থ্য (সম্পদ, টাকা পয়সা) থাকা সত্ত্বেও বিয়ে করে না, তার আমার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।
(মারাসিল-ই-আবি দাউদ: 202)
এসব রেওয়ায়েত থেকে ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের (নিকাহের) গুরুত্ব সহজেই অনুমান করা যায়।
আল্লাহ্ আমাদের সকলকে বিবাহের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত সঠিক ভাবে আদায় করার তৌফিক দান করুন, আমীন
1 thought on “ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বিয়ে না করে সন্ন্যাসী থাকার বিধান-Khomata thaka sotteo Biye na kore Sanyashi thakar Bidhan”